,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জন নিহত, আটক ৭ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার ৯১ ঘরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ড্রিম ফর ডিসএ্যাবিলিটির উদ্যোগে অসহায় শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ ঢাকা থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিযান, আটক ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে ঠান্ডজণিত রোগের প্রকাপ নবীনগরে ব্যাডমিন্টন ফাইনাল খেলায় জায়েদ স্টার লাউর ফতেহপুর চ্যাম্পিয়ন ত্রিমুখী লড়াইয়ে জমজমাট আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনী মাঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ এর এপস রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান সংক্রান্ত কমিটির সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেধাবী ছাত্র প্রয়াত আতিকুর রহমানের স্মরণে স্মৃতি গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

আলোচনার মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে : প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ব্যাপারে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘আমরা আলোচনা করেছি, চুক্তি সম্পাদন করেছি এবং তাদের (মিয়ানমার) সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এদেরকে (রোহিঙ্গা) নিজ দেশে ফরত পাঠানোটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এখনও কাজ করে যাচ্ছি। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা ঝগড়া বাঁধাতে যাইনি।’

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে রয়েছেন।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠ্যতা অর্জনের পর চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এদিন প্রথমবারের মত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আসেন তিনি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়।’ এই নীতিতেই তার সরকার বিশ্বাসী এবং সেই নীতিতেই সরকার পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এটাই বলবো মিয়ানমার যেহেতু আমাদের প্রতিবেশী। আমরা কখনও তাদের সঙ্গে সংঘাতে যাব না।’

‘বরং তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের নাগরিকদের তারা যেন ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই প্রচেষ্টাই আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। সে বিষয়ে সবাই যেন সেভাবেই দায়িত্ব পালন করেন, সেজন্যও আমি অনুরোধ করবো,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রাকৃতিক বা মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ, যাই হোক না কেন তা মোকাবেলা করার ক্ষমতা বাংলাদেশ রাখে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়াটাও আজকে বিশ্বের অনেকের কাছেই বিস্ময়।’

আরো পড়ুন : হত্যা শেষে বীরদর্পে পাহাড়ে ফিরে গেল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা

কেবল মানবিক কারণেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানবিক কারণেই এটা করেছি। নিজেদেরও বলতে গেলে রিফিউজি হিসেবে ’৭৫ এর পরে ৬ বছর বিদেশে অবস্থান করতে হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, নিজের নামটাও আমরা ব্যবহার করতে পারিনি। এরকম দিনও আমাদের মোকাবেলা করতে হয়েছে।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের শরণার্থীরা ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের নিজেদেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে যে, ১৯৭১ সালে আমাদের ১ কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ছিল। তাদেরকে নিয়ে এসে পুনর্বাসন করতে হয়েছে, সেই অভিজ্ঞটাও রয়েছে।’ বাসস

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com