,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস চাপায় রিকশা চালক নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পৃথক ঘটনায় ২ জন নিহত  স্বাস্থ্য বিধি মেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হয়েছে শারদীয় দূর্গাৎসব   আলোচনায় প্রভা,,,, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জোড়া খুনের মামলায় আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন পূজা উপলক্ষে ৭দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে আখাউড়া স্থলবন্দরে  শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবন্ধী ও অস্বচ্ছলদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ সরাইলের চুন্টায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের মাঝে ঘরের চাবি ও ঋণ বিতরণ

সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী ও কাফের বললেন মাওলানা কাশেমী

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী, কাদিয়ানি (আহমদিয়া) ও কাফের বলে আখ্যা দিয়েছেন জামিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রহীম কাশেমী। পাশাপাশি তিনি প্রেসক্লাবের সভাপতি খ.আ.ম. রশিদুল ইসলামের নামেও কটুক্তি ও বিষোদগার করে তাকে বাড়ি ছাড়া করার হুমকি দেন।

গত শনিবার রাতে (১ ফেব্রুয়ারি) জেলা ঈদগাহ ময়দানে জামিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার তিন দিনব্যাপী ১০৭তম বার্ষিক মাহফিলের শেষদিনে তিনি এই বিষোদগার করেন। এ ঘটনায় জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় গত রবিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সভায় মাওলানা আবদুর রহীম কাশেমীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জেলার সাংবাদিকরা। একই সভায় সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তা বিধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান ও রোববার সকালে আশুগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে ইমাম ওলামা পরিষদের নেতাদের মারমুখী আচরণ ও হামলার চেষ্টার নিন্দা জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি খ.আ.ম রশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

সভায় সাংবাদিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাওলানা আবদুর রহীম কাশেমী প্রকাশ্যে ওয়াজ মাহফিলে যেভাবে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী, কাদিয়ানী ও কাফের বললেন, তা তার চরম ধৃষ্টতার সামিল। এজন্য তাকে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইতে হবে। একজন মুসলমান হিসেবে তিনি অন্য মুসলমানকে কাফের বলতে পারেন কিনা তাও প্রশ্ন রাখেন সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য গত ২০শে জানুয়ারি ‘এদারায়ে তালিমিয়া’র ব্যানারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে কওমী মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষকরা।

পরদিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কেন তাদের মানববন্ধনের সংবাদ প্রকাশিত হয়নি তা নিয়ে মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা জাকারিয়া মোবাইল ফোনে দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খ.আ.ম রশিদুল ইসলামকে কৈফিয়ত চান ও তার সাথে অশোভন আচরণ করেন। বিষয়টি সভাপতি হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া ইউনুছিয়ার শায়খুল হাদিস মাওলানা সাজিদুর রহমানকে অবহিত করলে তিনিও একই ধরনের আচরণ করেন।

এ ঘটনার পর প্রেসক্লাবে এক জরুরি সভা হলে জেলায় কর্তব্যরত সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার ছাত্রদের হাতে তাদের নাজেহাল ও নিগৃহিত হওয়ার কথা তুলে ধরেন। সভায় জামিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া মাদরাসাসহ জেলার সকল কওমী মাদরাসা ও হেফাজতে ইসলামের সকল ধরনের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন সাংবাদিকরা।

এতে ক্ষুব্দ হয়েই গত শনিবার রাতে জেলা ঈদগাহ ময়দানে জামিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার তিন দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিলের শেষদিনে মাওলানা আব্দুর রহীম কসেমী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী, কাদিয়ানি (আহমদিয়া) ও কাফের বলে আখ্যা দেন। এবং তাদের সংবাদ প্রকাশ না করলে সাংবাদিকদের চিনে রাখার জন্য উপস্থিত মাদরাসার ছাত্রদের নির্দেশ দেন।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.