,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জন নিহত, আটক ৭ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার ৯১ ঘরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ড্রিম ফর ডিসএ্যাবিলিটির উদ্যোগে অসহায় শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ ঢাকা থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিযান, আটক ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে ঠান্ডজণিত রোগের প্রকাপ নবীনগরে ব্যাডমিন্টন ফাইনাল খেলায় জায়েদ স্টার লাউর ফতেহপুর চ্যাম্পিয়ন ত্রিমুখী লড়াইয়ে জমজমাট আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনী মাঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ এর এপস রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান সংক্রান্ত কমিটির সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেধাবী ছাত্র প্রয়াত আতিকুর রহমানের স্মরণে স্মৃতি গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মুজিববর্ষেই সব আসামিকে দেশে আনা হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খবর সারাদিন রিপোর্ট : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি পাঁচ খুনিকে মুজিববর্ষে দেশে ফেরত আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদকর্মীদের পাঠানো এক বার্তায় বলেন ‘আমি আশা করি, মুজিব বর্ষের মধ্যেই (বঙ্গবন্ধুর) খুনিদের এখানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মাজেদ গ্রেফতার হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে চলমান সংকটের মধ্যেও আমরা খুশির একটা খবর পেলাম। বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেফতার হয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের অন্তত একজনকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের সম্মুখীন করা হবে। আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, তা সম্ভব হলো।

মন্ত্রী বলেন, তবে এখনও পাঁচজন খুনি পলাতক রয়েছে। তাদের একজন যুক্তরাষ্ট্রে, আরেকজন কানাডায়।

আমাদের প্রত্যাশা, মুজিববর্ষেই বাকি খুনিদেরও দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের ও প্রবাসী জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের আশাবাদ আগামী ২০২১ সালের ১৭ মার্চের মধ্যে মুজিববর্ষেই তা সম্ভব হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে হত্যার দায়ে ১২জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে পাঁচজনকে ফাঁসি কার্যকর এবং একজনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

পাঁচজনকে দীর্ঘদিনের আইনী প্রক্রিয়ার পরে গত ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়। বাসস

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com