,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জন নিহত, আটক ৭ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার ৯১ ঘরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ড্রিম ফর ডিসএ্যাবিলিটির উদ্যোগে অসহায় শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ ঢাকা থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিযান, আটক ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে ঠান্ডজণিত রোগের প্রকাপ নবীনগরে ব্যাডমিন্টন ফাইনাল খেলায় জায়েদ স্টার লাউর ফতেহপুর চ্যাম্পিয়ন ত্রিমুখী লড়াইয়ে জমজমাট আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনী মাঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ এর এপস রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান সংক্রান্ত কমিটির সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেধাবী ছাত্র প্রয়াত আতিকুর রহমানের স্মরণে স্মৃতি গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সংযোগ: উভয় দেশের জন্য সমান লাভজনক প্রস্তাব

ডেস্ক রিপোর্ট :;ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছিল সংযোগ বা কানেক্টিভিটি সম্প্রসারণ। সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত কয়েক বছরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষই মনে করে যে, আকাশ, নৌ, রেল ও সড়কপথে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে পারস্পরিক কল্যাণের স্বার্থে বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ও এর বাইরেও অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। কলকাতা থেকে আগরতলার উদ্দেশে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে কন্টেইনার জাহাজের প্রথম চলাচল এজন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে উভয় পক্ষই ভারত থেকে বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চল থেকে পণ্য পরিবহণে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস স্বাক্ষর করে যা দুই দেশের অর্থনীতির জন্যই সমান লাভজনক হতে পারে।

এর আগে ২০১৫ সালে দু’দেশই উপকূলীয় নৌ পরিবহণের বিষয়ে একটি চুক্তি এবং ২০১৮ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতে পণ্য পরিবহণের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এই চুক্তি এবং এসওপিগুলি নৌ, রেল, সড়ক বা বহুমুখী পরিবহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে পণ্য পরিবহণের অনুমতি দেয়।
চুক্তির আওতায় আটটি রুট চিহ্নিত করা হয়েছে যা বাংলাদেশের মধ্যদিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে। চিহ্নিত আটটি রুট হলো, চট্টগ্রাম/মংলা বন্দর থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা (ত্রিপুরা), চট্টগ্রাম/মংলা বন্দর থেকে তামাবিল হয়ে ডাউকি (মেঘালয়), চট্টগ্রাম/মংলা বন্দর থেকে শেওলা হয়ে সুতারকান্দি (আসাম) এবং চট্টগ্রাম/মংলা বন্দর থেকে বিবির বাজার হয়ে শ্রীমন্তপুর (ত্রিপুরা) এবং তার বিপরীত।
এই পরীক্ষামূলক পরিবহণ কার্যক্রম উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে, ভারত থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে পণ্য পরিবহনের জন্য দূরত্ব, সময় এবং কারিগরি ব্যয় হ্রাস পাবে এবং উভয় অর্থনীতির জন্য লাভজনক হবে।
বাংলাদেশের পক্ষে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, লজিস্টিক খাতে বিনিয়োগ জোরদার করা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয়, অর্থ, পরিবহন, বীমা ইত্যাদি ব্যবসায়িক পরিষেবার প্রচার এবং রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com