,
শিরোনাম:
সাংবাদিকদের সাথে মাদকমুক্ত নবীনগর চাই সংগঠনের মতবিনিময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃদ্ধ হত্যা, ফাঁসির দাবীতে এলাকাবাসীর মানবন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩ কৃতি সন্তানের প্রয়াণে শোক সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে ভাতিজার হাতে চাচা খুন, গ্রেফতার  ৪ নবীনগরে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কের পাশে পাওয়া গেল শিশু ৩ শ বছরের পুরাতন সড়ক খুলে দেয়ার দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মানববন্ধ ও বিক্ষোভ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

এক মাসে গ্রেফতার হয় নি জোড়া খুন মামলার আসামীরা খুনীরা প্রকাশ্যে ঘুরছে, পরিবারের সদস্যদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন

খবর সারাদিন রিপোর্ট : জোড়া খুন। প্রায় এক মাস পেরিয়েছে। এখনো গ্রেফতার হয়নি হত্যা মামলার মূল আসামী। খুনের মামলার আসামীরা এখন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। নানা ধরণের ভয়, ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করছে। পরিবারের সদস্যরা রয়েছে তীব্র আতংক ও উৎকন্ঠায়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর লামা বায়েক গ্রামে চাঞ্চল্যকর ইশান ও মনির হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়। জোড়া খুনের ঘটনায় ২১ জনের নামে আশুগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত এক মাসে শুধু মাত্র ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য আসামীরা প্রকাশ্যে, নির্বিঘেœ এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার লালপুরে দুই যুবকের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে লামাবায়েক গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে ইশান (২২) ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেন (২৪) হত্যা করে দুবৃদ্বরা। দোকানে আড্ডা দেয়ার সময় লামাবায়েক গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়ির আহমদ আলীর ছেলে আলী আজম ও বাচ্চু মিয়ার বাড়ির মতলব মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার মধ্যে  কথাকাটাকাটি হয়। এসময় আলী আজম দুলালকে চর থাপ্পড় মারে। এরই সূত্র ধরেই দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে ঘটনা স্থলে উপস্থিত ইশান ও মনির নিহত হয়। একই গ্রামের আলী আজ্জম, মাহফুজ ও শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা করে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা তাদের হত্যা করে নিহতরে স্বজনদের অভিযোগ। এ ঘটনায় ১ অক্টোবর আশুগঞ্জ থানায় ২১ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের টানা একমাস পার হলেও পুলিশ আসামীদের গ্রেফতারে টালবাহান করছে।
নিহত ইশানের বাবা মিজানুর রহমান জানান, হত্যাকান্ডের এতদিন পার হলেও আসামীদের ধরা হচ্ছে না। আমরা এখন আতংকে রয়েছি। কখন কি ঘটে তা বলতে পারি না। আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
মাতা আকলিমা আক্তার জানান, ছেলেই ছিল আমার একমাত্র ভরসা। অনেক শ্রম অনেক প্রচেষ্টা দিয়ে তাকে লালন পালন করেছি। আমার ছেলেকে যারা মেরে ফেলেছে তারা এখনো মুক্ত আকাশের নীচে ঘোরা ফেরা করছে আর আমরা কষ্টে দিন পার করছি। আসামীদের হুমকী ধামকীতে আমার এখন আতংকে রয়েছি।
পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, হত্যাকান্ডের পর অপরাধীরা পালিয়ে থাকে। তাদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.