,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

চেয়ারম্যান হলেন যারা বগুড়ায় ১২টি উপজেলার

স্টাফ রিপোর্টার বগুড়া: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়ায় ১২টি উপজেলার সাতটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। দু’টিতে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

১৮ মার্চ সোমবার ভোটগণনা শেষে রাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী রিটার্নি কর্মকর্তারা এভরিনিউজকে বেসরকারি ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে শেরপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মজিবর রহমান মজনু ও আদমদীঘি উপজেলায় একই দলের সিরাজুল আলম খান রাজু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

বেসরকারিভাবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলায় আবু সুফিয়ান সফিক, সারিয়াকান্দি উপজেলায় মুনজিন আলী সরকার, সোনাতলা উপজেলায় মিনহাদুজ্জামান লিটন, ধুনট উপজেলায় আবদুল হাই সরকার, নন্দীগ্রাম উপজেলায় রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, শাজাহানপুর উপজেলায় ছারোয়ার হোসেন ছান্নু ও গাবতলী উপজেলায় রফি নেওয়াজ খান রবিন।

এছাড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীক ও কাহালু উপজেলায় আল হাসিবুল হাসান সুরুজ (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীক এবং শিবগঞ্জ উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ রিজু মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। তবে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও ভোটকেন্দ্র ও বাইরের পরিস্থিতি ছিল শান্ত। জেলার ১২টি উপজেলার ৯২৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়।

মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ২৫ লাখ ৪৬ হাজার ২৮৭ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫৩ জন ও পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৪ জন।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.