,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভীড় টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় শহরে বিক্ষোভ

IMG 20190402 172010

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলমের শোচনীয় পরাজয় ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে জেলা শহর। নৌকার পরাজয়ের পেছনে প্রশাসনকে দায়ী করার পাশাপাশি ভোটের দিন সবকটি কেন্দ্রে ছাত্রলীগ নোতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে জেলা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এর ফলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (দুপুর ১টা) বিক্ষোভ চলছিল।

বিক্ষোভকারীরা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনোয়ার হোসেন খান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল কবির, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কামরুজ্জামান ও সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল হকের প্রত্যাহারসহ তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন। এছাড়াও বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নানের সঙ্গে যোগসাজশ করে নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকার কারণে দুই সাংবাদিকের শাস্তি দাবি করেন বিক্ষুব্ধরা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেনিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি সুজন দত্ত, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী খায়রুল আলম প্রমুখ।

এ সময় তারা বলেন, প্রশাসনের অতি উৎসাহী লোকজন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এসপি টাকার নেশায় বুঁদ হয়ে তার বাহিনীকে ছাত্রলীগের পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে। বিনা উসকানিতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামলা চালানো হয়েছে। সেই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল কবির ও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কামরুজ্জামান। তাদের এই ক্ষমতার উৎস কি? ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় নৌকার ব্যাজ পড়া যাকে পেয়েছে তাকেই পেটানো হয়েছে। যদি হামলাকারীদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে প্রত্যাহার করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে ছাত্রলীগ তাদের বিচারের ব্যবস্থা করবে। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সঙ্গে সারাদেশের সড়ক ও রেলপথ যোগাযোগ বন্ধ করে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারি দেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফিরোজুর রহমান ওলিও আনারস প্রতীকে ৬৮ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৯০৭ ভোট। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ১১৪টি কেন্দ্রের সবকটিতেই প্রশাসন বেপরোয়া হয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পিটিয়েছে। ঝোল

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.