,
শিরোনাম:
Police Clearence Certificate (PCC)- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আবেদনের সঠিক নিয়ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তিভিত্তিক দুদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সচল হল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস সরবরাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের ধাক্কায় বাবা নিহত মেয়ে আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। অর্ধশতাধিক আহত, আটক ২০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত আওয়মীলীগ ছাড়া ডান পন্ত্রী কোন রাজনৈতিক দল নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে না..গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী…. ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট ,আটকঃ ৪

আখাউড়ায় চিরকুট লিখে কিশোরের আতহত্যা“আমি চাই আব্বু আম্মু মিলে মিশে ভাল থাকুক” আমাকে মাফ করে দিও, ইতি অপু

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় চিরকুট লিখে অপু মিয়া (১৫) নামের এক কিশোর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতহত্যা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার বিকেল আখাউড়া উপজেলা মোগড়া ইউনিয়ন ছয়ঘড়িয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত অপু মিয়া মোগড়া ইউনিয়ন ছয়ঘড়িয়া গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। এ সময় অপুর বিদায়বেলায় লিখে যাওয়া একটি চিরকুট পাওয়া যায়। যেখানে লেখা রয়েছে “আমার মত্যুর জন্য দায়ি কেউ নন। আমি চাই আব্বু ও আম্মু মিলে মিশে থাকুক। কখনো ঝগড়া না করুক, ভাই বোনদের যেন না মারে। তাদের যেন আদর  করেন। আমাকে মাফ করে দিও, ইতি অপু”।

পুলিশ জানায় দুপুরে অপুর বসতঘরে দীর্ঘক্ষণ দরজা জানালা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে দরজা ধাক্কাধাক্কি করে ও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আখাউড়া থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে অপুর ঝুলা মরদেহ উদ্ধার করে।

জানা যায়, বুধবার সকালে নিহত অপুর মায়ের সাথে প্রবাসে থাকা তার পিতা আনায়ার মিয়ার সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে অপুর মা তাকে মারধর করে। পরে সকালে তার মা তাকে ঘরে একা ফেলে পিত্রালয়ে চলে যায়। তবে এটি হত্যা না আতহত্যা এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানা যায়নি।
অপুর মা নিলুফা বেগম জানান, আমি আমার ছেলের জন্য নিজে দুপুরের খাবার রান্না করে ঘরে রেখে, আমার বাপের বাড়ি যাই। কিন্তু পরে শুনি, আমার ছেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতহত্যা করছে। কেন করছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কোন কারণ খাঁজে পাচ্ছি না, এই কারণে আমার ছেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতহত্যা করতে পারে। আমার কাছে ছেলের এই মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে।

এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান খবর পেয়ে আখাউড়া থানা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরত্বসহকার তদন্ত করে দেখছি।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.