,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলের জায়গায় বানানো ১০৬ দোকানঘর কোঠার মার্কেট উচ্ছেদ

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ের জায়গা দখল করে বানানো একটি মার্কেট উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার সকালে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ এই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাটপাড়া মৌজাস্থ বড়হরন এলাকায় প্রায় ৪৮ শতক জায়গার ওপর ৩ বছর আগে এই মার্কেট নির্মান করা হয়। মার্কেটে ১০৬টি দোকান করা হয়। অভিযোগ একেকটি দোকান বিক্রি করা হয় ৪-৫ লাখ টাকায়। স্থানীয় বড়হরন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নামে এই জায়গা দখল করে মার্কেট তৈরী করেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক নেতা আবদুস সালাম মেম্বার,মাদ্রাসার সুপার সুলতান উদ্দিন আহমেদ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এলেম খান। তারা সবাই একাধিক দোকান ভিটি নেন। পরে সেগুলো বিক্রি করে দেন। সোমবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও আশুগঞ্জের সহকারী কমিশনার-ভূমি ফিরোজা পারভীনের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় রেলওয়ের পক্ষে সেখানে ছিলেন সহকারী ষ্টেট অফিসার মো: অহিদুন্নবী,কানুনগো মো: ইকবাল মাহমুদ ও সার্ভেয়ার ফারুক হোসেন। সহকারী ষ্টেট অফিসার মো: অহিদুন নবী জানান-তাদেরকে এরআগে নোটিশ করা হয়েছিলো। কিন্তু তারা জায়গা দখলমুক্ত করেননি। সেকারনে অভিযান চালিয়ে আমরা জায়গাটি দখলমুক্ত করেছি। এখানকার অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। দখলকারীরদের একজন বড়হরন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো: সুলতান মিয়া স্বীকার করেন- কৃষিজমির নামে ৬২শতক জায়গা বন্দোবস্ত নিয়ে তারা সেখানে মার্কেট নির্মান করেন। বানিজ্যিক লিজের জন্যে আবেদন করলেও তাদের আবেদন গ্রহন হয়নি। এদিকে সরজমিনে গেলে স্থানীয় লোকজন জানান- রেলের ওই জায়গাটি ছাড়াও জেলা পরিষদের ৬ শতক জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান করা হয়। মার্কেটের দোকান ভিটি বিক্রির টাকা আদায়েও তারা মাদ্রাসার রশিদ ব্যবহার করেন। কিন্তু দোকান বিক্রির কয়েক কোটি টাকা মাদ্রাসার তহবিলে না রেখে তারা নিজেদের পকেটে ঢুকিয়েছেন। এব্যাপারে বিভিন্ন সময় দূর্নীতি দমন কমিশনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.