,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলের জায়গায় বানানো ১০৬ দোকানঘর কোঠার মার্কেট উচ্ছেদ

Brahmanbaria ucced 3

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ের জায়গা দখল করে বানানো একটি মার্কেট উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার সকালে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ এই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাটপাড়া মৌজাস্থ বড়হরন এলাকায় প্রায় ৪৮ শতক জায়গার ওপর ৩ বছর আগে এই মার্কেট নির্মান করা হয়। মার্কেটে ১০৬টি দোকান করা হয়। অভিযোগ একেকটি দোকান বিক্রি করা হয় ৪-৫ লাখ টাকায়। স্থানীয় বড়হরন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নামে এই জায়গা দখল করে মার্কেট তৈরী করেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক নেতা আবদুস সালাম মেম্বার,মাদ্রাসার সুপার সুলতান উদ্দিন আহমেদ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এলেম খান। তারা সবাই একাধিক দোকান ভিটি নেন। পরে সেগুলো বিক্রি করে দেন। সোমবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও আশুগঞ্জের সহকারী কমিশনার-ভূমি ফিরোজা পারভীনের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় রেলওয়ের পক্ষে সেখানে ছিলেন সহকারী ষ্টেট অফিসার মো: অহিদুন্নবী,কানুনগো মো: ইকবাল মাহমুদ ও সার্ভেয়ার ফারুক হোসেন। সহকারী ষ্টেট অফিসার মো: অহিদুন নবী জানান-তাদেরকে এরআগে নোটিশ করা হয়েছিলো। কিন্তু তারা জায়গা দখলমুক্ত করেননি। সেকারনে অভিযান চালিয়ে আমরা জায়গাটি দখলমুক্ত করেছি। এখানকার অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। দখলকারীরদের একজন বড়হরন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো: সুলতান মিয়া স্বীকার করেন- কৃষিজমির নামে ৬২শতক জায়গা বন্দোবস্ত নিয়ে তারা সেখানে মার্কেট নির্মান করেন। বানিজ্যিক লিজের জন্যে আবেদন করলেও তাদের আবেদন গ্রহন হয়নি। এদিকে সরজমিনে গেলে স্থানীয় লোকজন জানান- রেলের ওই জায়গাটি ছাড়াও জেলা পরিষদের ৬ শতক জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান করা হয়। মার্কেটের দোকান ভিটি বিক্রির টাকা আদায়েও তারা মাদ্রাসার রশিদ ব্যবহার করেন। কিন্তু দোকান বিক্রির কয়েক কোটি টাকা মাদ্রাসার তহবিলে না রেখে তারা নিজেদের পকেটে ঢুকিয়েছেন। এব্যাপারে বিভিন্ন সময় দূর্নীতি দমন কমিশনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.