,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

মুজিববর্ষেই সব আসামিকে দেশে আনা হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

images 27

খবর সারাদিন রিপোর্ট : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি পাঁচ খুনিকে মুজিববর্ষে দেশে ফেরত আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সংবাদকর্মীদের পাঠানো এক বার্তায় বলেন ‘আমি আশা করি, মুজিব বর্ষের মধ্যেই (বঙ্গবন্ধুর) খুনিদের এখানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মাজেদ গ্রেফতার হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে চলমান সংকটের মধ্যেও আমরা খুশির একটা খবর পেলাম। বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেফতার হয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের অন্তত একজনকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের সম্মুখীন করা হবে। আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, তা সম্ভব হলো।

মন্ত্রী বলেন, তবে এখনও পাঁচজন খুনি পলাতক রয়েছে। তাদের একজন যুক্তরাষ্ট্রে, আরেকজন কানাডায়।

আমাদের প্রত্যাশা, মুজিববর্ষেই বাকি খুনিদেরও দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের ও প্রবাসী জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের আশাবাদ আগামী ২০২১ সালের ১৭ মার্চের মধ্যে মুজিববর্ষেই তা সম্ভব হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে হত্যার দায়ে ১২জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে পাঁচজনকে ফাঁসি কার্যকর এবং একজনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

পাঁচজনকে দীর্ঘদিনের আইনী প্রক্রিয়ার পরে গত ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়। বাসস

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.