,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভীড় টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছে 

images 15 1
মোজাম্মেল চৌধুরী : ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত দিয়ে ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইন করতে চাইছে। গত দুইদিন ধরে দুই দেশের শূণ্য রেখার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অবস্থান করছেন তারা। এ ঘটনায় বিএসএফ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেও কোনো সমাধান না আসায় সীমান্তে টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সদরের হাকর সীমান্তের ২০৩৯/১২-এস পিলার এলাকা দিয়ে ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবির টহল দলের সদস্যরা ওই নারী-পুরুষদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধা দেয়। এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেন। কিন্তু বিজিবি সদস্যরা ওই ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিক নয় বলে জানিয়ে দেন। পতাকা বৈঠকের পর বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তে টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবির একটি সুত্র জানায়, বিএসএফকে বলা হয়েছে তাদেরকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। বিএসএফ আমাদের বলেছে তাদেরকে নেওয়ার জন্য। আমরা বলেছি এ ভাবে আমরা নিতে পারব না, এটি অবৈধ প্রবেশ হয়ে যায়। এখন তারা সীমান্তের শূণ্য রেখায় ভারতীয়দের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অবস্থান করছেন।
শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.