,
শিরোনাম:
বিএনপি তাদের শাসনামলে যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার আলবদরদের সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের দালাল হয়ে বাংলাদেশের জনগণকে শোষণ ও অত্যাচার করত : আইন মন্ত্রী আনিসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ম্যারাথন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব ব্যাপক উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আখাউড়ায় নির্বাচনী সভায় ভুড়িভোজের আয়োজন \ বিরিয়ানি মাদরাসায় দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১/ আহত-৫ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল-জিপিএ-৫-এ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামী ধরতে গিয়ে নারীর কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করল ডিবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশ চলাকালে সংঘর্ষে ৩ জন আহত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লড়াইয়ে ছাত্রলীগকে সর্বতোভাবে পাশে থাকার আহ্বান-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ৩ ভাই ও ভগ্নিপতি মিলে হত্যা করে রফিজা খাতুনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর রফিজা খাতুন হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩

Brahmanbaria murder clue pic

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চাঞ্চল্যকর রফিজা খাতুন হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ৩ ভাই ও ভগ্নিপতির হাতেই নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন স্বামী পরিত্যাক্তা ওই নারী। এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে শহরের ভাদুঘর পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লোমহর্ষক সেই হত্যাকান্ডের বর্নণা তুলে ধরেন জেলা পিবিআই এ্র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি জানান, জেলার নাসিরনগর উপজেলা রামপুর গ্রামে আবু কালাম ও মূছা মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গোষ্ঠীগত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর রামপুর গ্রামের দরবেশ মিয়ার ছেলে মূছা মিয়া প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অপর দুই ভাই, ভগ্নিপতিসহ সহযোগিদের নিয়ে তার বোন রফিজা খাতুনকে বাড়ির আঙ্গিনায় ফেলে হত্যা করে। পরে নিজইে বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৫৭ জনের নামে মামলা করেন। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর হওয়ায় ঘটনাটির তদন্তভার পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআই এর কাছে। পিবিআই দীর্ঘদিন তদন্ত করে নিহতের ভাই সোহাগ মিয়া, চাচাতো ভাই মোঃ আক্কাছ মিয়া ও ভগ্নিপতির ভাই পরশ মিয়া নামের ৩ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা পিবিআই এর কাছে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এতে নিহতের ভাই মূছা, মোবারক, সোহাগ ও ভগ্নিপতি জয়নাল ও তার ভাইর পরশসহ সহযোগীরা মিলে রফিজা খাতুনকে হত্যার রহস্য বেড়িয়ে আসে। তিনি আরো জানান, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ বাকি আসামীদের গ্রেফতার করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলণে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.