,
শিরোনাম:
আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সরাইলে যুবক গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সাবেক এমপির গাড়িবহরে হামলা

ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে ঘিরে ভাংচুর ও তান্ডবের ঘটনায় থমথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবি’র টহল, আটক ১৪, হরতালের সমর্থনে মিছিল

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তান্ডবের ঘটনায় এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্যরা গান কার নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ও এবিপিএন সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় তান্ডব চালায় আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে টায়ারে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে বিক্ষুব্ধরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রেল স্টেশনে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। রেল স্টেশনের সিগন্যাল, মাস্টার রুম, কন্ট্রোল রুম অন্যান্যদের কর্মকর্তাদের কক্ষ ব্যাপক ভাংচুর করে। সমস্ত মালামাল একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেয়। রেল লাইনের স্লিপার তুলে ফেলে বিক্ষুব্ধরা। সিগন্যাল বক্স ভেঙ্গে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়াও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে এবং জেলা পরিষদ, পৌর মুক্ত মঞ্চ, পৌর মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুারাল ভেঙ্গে ফেলে। এসব ঘটনায় পুলিশসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়। সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আশিক নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সে শহরের কাউতলীর দাতিয়ারা গ্রামের সাগর মিয়ার ছেলে। পরে বিক্ষুব্ধরা লাশ নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১০ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে রবিবার হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের সমর্থনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিছিল হয়েছে। শনিবার দুপুরে হেফাজতে ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসা চত্বর থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক টি, রোড প্রদক্ষিণ করে। পরে ফকিরাপুলে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা মুফতি মোবারক উল্লাহসহ অন্যান্যরা। এ সময় বক্তারা, মোদীর বাংলাদেশ সফরের নিন্দা জানান এবং এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্রগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের উপর হামলা ও হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করেন। সে সাথে আগামীকাল হেফাজতে ইসলামের ডাকা দেশব্যাপী হরতাল সফল করার লক্ষ্যে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.