,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে ঘিরে ভাংচুর ও তান্ডবের ঘটনায় থমথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবি’র টহল, আটক ১৪, হরতালের সমর্থনে মিছিল

1616859413044 Tohol pic

খবর সারাদিন রিপোর্ট : ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তান্ডবের ঘটনায় এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্যরা গান কার নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ও এবিপিএন সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় তান্ডব চালায় আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে টায়ারে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে বিক্ষুব্ধরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রেল স্টেশনে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। রেল স্টেশনের সিগন্যাল, মাস্টার রুম, কন্ট্রোল রুম অন্যান্যদের কর্মকর্তাদের কক্ষ ব্যাপক ভাংচুর করে। সমস্ত মালামাল একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেয়। রেল লাইনের স্লিপার তুলে ফেলে বিক্ষুব্ধরা। সিগন্যাল বক্স ভেঙ্গে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়াও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে এবং জেলা পরিষদ, পৌর মুক্ত মঞ্চ, পৌর মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুারাল ভেঙ্গে ফেলে। এসব ঘটনায় পুলিশসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়। সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আশিক নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সে শহরের কাউতলীর দাতিয়ারা গ্রামের সাগর মিয়ার ছেলে। পরে বিক্ষুব্ধরা লাশ নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১০ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে রবিবার হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের সমর্থনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিছিল হয়েছে। শনিবার দুপুরে হেফাজতে ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসা চত্বর থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক টি, রোড প্রদক্ষিণ করে। পরে ফকিরাপুলে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা মুফতি মোবারক উল্লাহসহ অন্যান্যরা। এ সময় বক্তারা, মোদীর বাংলাদেশ সফরের নিন্দা জানান এবং এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্রগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের উপর হামলা ও হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করেন। সে সাথে আগামীকাল হেফাজতে ইসলামের ডাকা দেশব্যাপী হরতাল সফল করার লক্ষ্যে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.