,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

বইমেলা ঘুরে আসার একটি দিনলিপি,,,,, শামীমা চম্পা

খবর সারাদিন রিপোর্ট : জীবনের প্রথম একুশে বইমেলায় গেলাম আজ। হুট করেই মেলায় যাওয়ার আগের রাতে মনে প্রবল ইচ্ছে জাগলো বই মেলায় যাওয়ার। ছোট ভাইকে ইচ্ছে জানালে সে সাথে সাথে আমার ইচ্ছে পূরণে রাজি হয়ে যায়। যেই ভাবনা সেই কাজ। পরদিন সকালে রওনা দিলাম তিতাস ট্রেনে। ঢাকা পৌঁছার ঘন্টা তিনেক পর মেলায় ঢুকতে হয়েছিল। কারণ ঐদিন ৩টা থেকে মেলায় প্রবেশ করার সময় ছিল। এ সময়টা কাটালাম ভাইবোন দু’জনে রমনাপার্কে বসে। আর বারবার ঘুড়ি দেখছিলাম বিকাল ৩টা কখন বাজবে! অবশ্য বইমেলায় আসার জন্যই আমার এবারের ঢাকায় আসা। বিকেলে বই মেলায় গেলাম ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে। মেলার গেট দিয়ে ঢুকার পরই আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। এত মানুষ বই মেলায় আসে আগে জানা ছিল না। মেলায় বইয়ের দোকানের সাজসজ্জা আর এত এত বই প্রথমবার একসাথে দেখে আমি দ্বিতীয়বার অবাক হলাম। দৃষ্টিনন্দন সব দোকানে সাজানো হাজার হাজার বই। প্রথমই পুরো মেলা ঘুরে দেখলাম। একসাথে এত বাহারি বই দেখেই মনে অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করছে। বই কেনার জন্য মানুষের এত আগ্রহ, এত ভিড় উপভোগ করে আমি গেলাম পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এর স্টলে। হুমায়ূন আহমেদের “হলুদ হিমু কালো র‌্যাব” বইটি কিনলাম দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে। ছোট ভাইয়ের জন্য কিনলাম তার পছন্দ করা একটা উপন্যাস। তারপর একে একে বিভিন্ন স্টল ঘুরে নেপোলিয়ন হিল এর “থিংক অ্যান্ড গ্রো রিচ” যার অনুবাদক নেসার আমিন বইটা কিনলাম।তারপর নিলাম ডেল কার্নেগীর মোটিভেশনাল বই “দুশ্চিন্তাহীন নতুন জীবন ” এবং মঞ্জুর রহমান শান্তর একটি বই “অনেক ফুল গোপনে ঝড়ে।” খুব ইচ্ছে ছিল কোন লেখকের সাথে যদি দেখা হত! কিন্তু এ ইচ্ছেটা পূরণ হয় নি। বইয়ের স্টল এবং মেলার অনেক ছবি তুলেছি। মেলা থেকে বের হতে ইচ্ছে করছিল না। পুরো মেলাটি যেন আমার চোখের সামনে ছবির মতো ফুটে উঠছে। পাঞ্জেরী,অন্য প্রকাশ, সময় প্রকাশনী,গুরুগৃহ প্রকাশনীর স্টলগুলোর শৈল্পিক সৌন্দর্য আমার চোখের সামনে এখনো ভাসছে। কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিলবোর্ডে একটা ছবি তুলেছিলাম পাঞ্জেরী প্রকাশনীর স্টলটায় সাজানো কিছু ছবি সমগ্র থেকে। বারবার শুধু সাহিত্যিকের ছবি, মেলায় তোলা ছবিগুলো দেখছি। বাসায় সবাই ঘুমাচ্ছে। ছোট ভাইয়াটা ঘন্টা খানেক ধরে তার উপন্যাসটা পড়ে যাচ্ছে। আমি ডায়েরি লিখছি। এখন হাতে বই নেবো। ঘুম না আসা পর্যন্ত পড়তে থাকবো।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.