,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

লকডাউনে ১৩ হাজারের বেশি গরু নিয়ে বিপাকে আখাউড়ার ৫ শতাধিক খামারি

জুয়েল মিয়া, আখাউড়া প্রতিনিধি : কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মুনাফা লাভের আশা দেখলেও লকডাউনের কারণে মাথায় হাত পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার গরু খামারিদের। ঈদের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই শঙ্কা ঘিরে ধরছে খামারিদের।
আরব আমিরাত থেকে ফিরে আসা প্রবাসী সোহরাব হোসেন (৩২) ও মোঃ রাসেল তাদের নিজ এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মোগড়া ইউনিয়নের ধাতুর পহেলা গ্রামের বড় বাড়িতে ‘নুন্নাহার এগ্রো ফার্ম’ নামে গরুর খামার গড়ে তুলেছেন।
খামারে নিজে কাজ করার পাশাপাশি প্রতিবেশীদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন ওই দুই উদ্যোক্তা।১৬ বছর সোহরাব আরব আমিরাতে ছিলেন। তার ছোটভাই রাসেল ১২ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন।মহামারী করোনা ভাইরাসে চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে অনেক স্বপ্ন নিয়ে খামার খুলেছিলেন। প্রবাস জীবনে যে করোনার জন্য চাকরি হারিয়েছে সে করোনা এখন যে পিছু ছাড়ছেনা। দেশের খামারেও ধ্বস নামার সম্ভাবনা।
নুন্নাহার এগ্রো খামারে মোট ১৫ টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে দশটি গরু কুরবানী কে সামনে রেখে বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন নিয়ে এখন যে বিপাকে রয়েছে তারা ।সরকারের কাছে দাবী যেন ন্যায্যমূল্যে গরুগুলো বিক্রি করার সুযোগ যেন সরকার করে দেয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় গরুর খাবার চড়া দামে কিনে খামারগুলো চালিয়ে এসেছে। এখন যদি সেই কাঙ্খিত মূল্য না পায় তাহলে বিপর্যয় নেমে আসবে তাদের।
করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছরেও ব্যবসা করতে পারেননি স্থানীয় গরু খামারি ও ব্যবসায়ীরা। এবারও যদি একই অবস্থা হয় তাহলে পথে নামা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না বলে মনে করেন আখাউড়ার পাঁচ শতাধিক খামারি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আখাউড়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কামাল বাশার জানান, আখাউড়ায় মোট ৫০৬ টি খামার রয়েছে যেখানে গরুর সংখ্যা ১৩ হাজারের উপরে।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.