,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাগ্নে-ভাগ্নিকে হত্যার দায়ে মামার মৃত্যুদন্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ – ওসিসহ আহত-২০ , ককটেল বিস্ফোরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের ধাওয়া পালটা ধাওয়া \ বেশ কয়েকজন আহত, ককটেল বিস্ফোরণ নবীনগরে তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নান্দনিক আবৃত্তির মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাতিয়ে গেলেন ভারতের আবৃত্তি সংস্থা শ্রুতি সালিশ সভায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে নারীকে নির্যাতন বিজয়নগরে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতার পরিধির মধ্যে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে- গণপূর্ত মন্ত্রী বৃক্ষায়নের জায়গা না রেখে নতুন বাড়ি বা ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া হবে না- গণপূর্ত মন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের বিরোধে নারীকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

প্রায় এক যুগ পর স্বজন পেল ছয় পরিবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় স্বজনদের ছবি ২
খবর সারাদিন রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ছয় বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে তারা বাংলাদেশে আসেন। তারা হলেন, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার চরকালি বাজাইল গ্রামের আলপনা খাতুন, বগুড়ার দুপচাচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের জিয়ারুল ইসলাম, জামালপুর জেলা সদরের নারিকেলি গ্রামের মানিক মিয়া, ঢাকার কেরাণিগঞ্জের রিনা আক্তার, কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের ভাস্কর টিলা গ্রামের হানিফা আক্তার, বগুড়ার দুপচাচিয়া উপজেলার জিয়ারুল ইসলাম। ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সহযোগিতায় ওই ছয়জনকে বাংলাদেশে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। আখাউড়া স্থলবন্দরের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে তাদেরকে ভারত থেকে দেওয়ার সময় ভারতের ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশ সহকারি কমিশনার কার্যালয়ের হাই কমিশনার মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, প্রথম সচিব মো. রেজাউল হক, প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান এস এম আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান, আখাউড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলামসহ ভারত থেকে আসা ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। জানা গেছে, ফেরত আসা ছয় বাংলাদেশিই মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ত্রিপুরায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হতে আটক হন। পরে আদালতের নির্দেশে আগরতলার মর্ডান সাইক্রিয়াটিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদের অনেকেই এই হাসপাতালে চার থেকে পাঁচ বছর বা আরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ার পর তাদের দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই হাসপাতালে পাচারের শিকার আরো অনেক বাংলাদেশি আছেন বলে জানা গেছে। পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে পাচারের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারবর্গদের জরুরি অর্থ সহায়তা এবং কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হয় বলে জানিয়েছেন, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান।
শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.