,
শিরোনাম:
বিএনপি তাদের শাসনামলে যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার আলবদরদের সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের দালাল হয়ে বাংলাদেশের জনগণকে শোষণ ও অত্যাচার করত : আইন মন্ত্রী আনিসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ম্যারাথন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব ব্যাপক উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আখাউড়ায় নির্বাচনী সভায় ভুড়িভোজের আয়োজন \ বিরিয়ানি মাদরাসায় দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১/ আহত-৫ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল-জিপিএ-৫-এ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামী ধরতে গিয়ে নারীর কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করল ডিবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশ চলাকালে সংঘর্ষে ৩ জন আহত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লড়াইয়ে ছাত্রলীগকে সর্বতোভাবে পাশে থাকার আহ্বান-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

বিরহে অভ্যস্ত হয়ে যেও না………………………….(শামীমা চম্পা)

received 2267021780142870 1

বিরহ মানে ব্যাথা, বেদনা, যন্ত্রণা, দূঃখ, উদাসীনতা নানান কিছু। আর সেই বিরহের আগমন ঘটে প্রিয়জনের শূন্যতায়, অভাবে, অনুপস্থিতিতে। আর সেই অভাবটা আমরা আরো বাড়িয়ে দেই প্রিয় মানুষের সবকিছুতে নজরদারি করার কৌতুহল থেকে।যেমন, তার ওয়ালে গিয়ে ঘাটাঘাটি করা, কার সাথে চ্যাট করলো, কার সাথে কতটা ইমোশন নিয়ে কথা বলল, কমেন্টসে কি এক্সপ্রেশন দিলো এগুলো নিয়ে সারাক্ষণ পড়ে থাকা। কথিত আছে, প্রিয় মানুষটি সম্পর্কে যত কম  জানা যায়, তত মঙ্গল। বিশেষ করে প্রিয় মানুষের কিছু কিছু বিষয় না জানাই ভালো। কারণ সেও মানুষ তারও দোষ গুণ থাকে। তাই ঐ মানুষটার দোষটা দেখতে নেই। তাতে মানুষটার প্রতি ভালোবাসা শ্রদ্ধাবোধ কমে যায়। আসলে প্রিয়কে প্রিয় করে রাখাই উত্তম। অবশ্য সে যদি আপনাকে ভালোবাসার পর অন্য কোন অন্যায় না করে। আসলে মানুষকে বিচার করা উচিত তার দোষ দেখে নয় গুণ দেখে। যে মানুষটা আপনার সাথে থাকতে চায় না তাকে জোর করে রাখার কোন দরকার নেই। এ যুগে যে বুঝে শুনে জেনে আপনার কাছে থাকতে চায় তাকেই প্রিয় করে রেখে দিন। যে চলে যেতে চায় তাকে হাসি মুখে বিদায় দিয়ে দিন। কারণ সে ইতিমধ্যে ঠিক করে ফেলেছে সে চলে যাবে। তার জন্য চোখের পানি ফেলার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ সে কখনো আপনার চোখের পানিতে ফেরত আসবে না। যারা চলে যায় তারা কখনো চোখের পানি কিংবা ইমোশন বুঝবে না। কাজেই তাকে যেতে দিন। তার চলে যাওয়াটা মেনে নিন। কেননা প্রিয় মানুষ যে শুধু আপনার জীবন থেকে চলে গেছে এমন না। এমনটা আপনার সাথে ঘটার আগেও অসংখ্য মানুষের সাথে ঘটেছে এবং পরেও অসংখ্য মানুষের সাথে ঘটবে। প্রিয় মানুষকে আপন করে না পাওয়া, তাদের চলে যাওয়া, তাদেরকে হাসি মুখে বিদায় দেওয়া নিশ্চয়ই কষ্টের, এটা এতটা সহজ নয় কিন্তু সেই কঠিন কাজটাই আপনাকে করতে হবে নিজের আত্নসম্মানের জন্য। যে প্রিয়জনের অল্প কথায় সবই নষ্ট হয়ে যায়, আপনার অনুভূতিগুলো যার কাছে বিদ্রুপ বিনোদন সেই যেন আপনার সমস্তটা জুড়ে। আপনি জানেন সে আপনাকে কতটা অবহেলা করেছে কষ্ট দিয়েছে। তবে দূঃখের কথা হলো আমরা আড়ালে ঐ মানুষটাকেই পছন্দ করি।কিছুতেই মন থেকে ছুড়ে ফেলে দিতে পারি না। কিন্তু এ বিরহ যাপন আর কতদিন? এসবের শেষ কোথায়? আপনি বা আমি কিন্তু কখনোই আমাদের জীবনকে কোনরকমই এলোমেলো করে ফেলতে চাইবো না। যদি আমাদের কারো বুদ্ধিভ্রংশ না ঘটে। তাহলে আমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারবো এগুলো সময়ের অপচয় ছাড়া কিছুই না। আর একজন বুদ্ধিমান মানুষ কখনোই অপচয় বা ক্ষতি সহ্য করবে না। জীবন সম্পর্কে একটু ভাবুন। বিশেষ করে আপনার নিজের জীবন সম্পর্কে একটু ভাবুন। যে  প্রিয় মানুষটার  জন্য  বিরহে কাতরাচ্ছেন সে আপনার মধ্যে তার পছন্দের কিছু দেখতে পায় না। সে যা খোঁজে তা আপনার মধ্যে পায় না। একটু ভেবে দেখুন, সে যদি বাহ্যিক সৌন্দর্যের অভাববোধ করে আপনার মধ্যে তাহলে সে কখনো আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে নি। আর যদি সে আপনার মানসিক সৌন্দর্য বা গুণের অভাব দেখে তাহলে সে তার মতো করে আপনাকে গাইড করতো, নিজের মনের মতো করে তৈরি করে নিতো। আসলে আপনার সাথে থাকার প্রয়াসটাই তার মধ্যে নেই। তাহলে কি দরকার ঐ মানুষটাকে না পেলে দূঃখ করার। আদৌ কি কোন প্রয়োজন আছে আপনার জীবনে এমন মানুষের? এ জীবন আনন্দের রাজ্য। আর এ রাজ্যের রাজ্যত্ব উপভোগ করতে শিখুন। নিজের মধ্যে পজেটিপ এর্নাজি আনুন। আপনার পজেটিপ এর্নাজি বেঁচে থাকার চাহিদা বাড়িয়ে দেবে। এ পৃথিবীতে  বেঁচে থাকাটাই বিরাট একটা কাজ। তাহলে এ বিশাল কাজটাকে আমরা কেন গুরুত্ব দেবো না! বিরহকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে নিজেকে আকাশে মেলে ধরুন। নিজের অস্তিত্ব অনুভব করুণ!

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.