,
শিরোনাম:
বিএনপি তাদের শাসনামলে যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার আলবদরদের সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের দালাল হয়ে বাংলাদেশের জনগণকে শোষণ ও অত্যাচার করত : আইন মন্ত্রী আনিসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ম্যারাথন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব ব্যাপক উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আখাউড়ায় নির্বাচনী সভায় ভুড়িভোজের আয়োজন \ বিরিয়ানি মাদরাসায় দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১/ আহত-৫ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল-জিপিএ-৫-এ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামী ধরতে গিয়ে নারীর কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করল ডিবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশ চলাকালে সংঘর্ষে ৩ জন আহত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লড়াইয়ে ছাত্রলীগকে সর্বতোভাবে পাশে থাকার আহ্বান-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগ, শিক্ষক পলাতক

images 22
খবর সারাদিন রিপোর্ট ; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় শুক্রবার ওই ছাত্রীর মামা বাদী হয়ে আবদুল মুহিত (৪৮) নামের ওই শিক্ষককে আসামি করে সরাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক গা ঢাকা দিয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রীর বাড়ি জেলার বিজয়নগর উপজেলায়। তবে মা সৌদি আরবে এবং বাবা মালয়েশিয়াতে থাকায় সে সরাইলের বুড্ডা গ্রামে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছে। গত বুধবার প্রতিদিনের মতো সকালে সে বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন বিরামহীনভাবে মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছিল। বেলা তিনটায় বিদ্যালয় ছুটি হলে শিক্ষক আবদুল মুহিত সকল শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেও কৌশলে ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে রেখে দেন। সুযোগ বুঝে শিক্ষক মুহিত দরজা বন্ধ করে ছাত্রীকে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
পরে ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করে তার নানির কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরে ছাত্রীর মামা তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে শিশুটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন বলেন, ছাত্রীর মামা বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আসামী বর্তমানে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালানো হয়েছে।
শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.