,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাগ্নে-ভাগ্নিকে হত্যার দায়ে মামার মৃত্যুদন্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ – ওসিসহ আহত-২০ , ককটেল বিস্ফোরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের ধাওয়া পালটা ধাওয়া \ বেশ কয়েকজন আহত, ককটেল বিস্ফোরণ নবীনগরে তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নান্দনিক আবৃত্তির মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাতিয়ে গেলেন ভারতের আবৃত্তি সংস্থা শ্রুতি সালিশ সভায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে নারীকে নির্যাতন বিজয়নগরে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতার পরিধির মধ্যে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে- গণপূর্ত মন্ত্রী বৃক্ষায়নের জায়গা না রেখে নতুন বাড়ি বা ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া হবে না- গণপূর্ত মন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের বিরোধে নারীকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০ জনের কারাদন্ড

images 23

খবর সারাদিন রিপোর্টঃব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামী ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০ জনকে সাজা দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ পারভেজ এক রায়ে তাদের প্রত্যেককে দুই বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন। আদালতের একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা গ্রামের কাজী আনু মিয়ার ছেলে কাজী পাপেল প্রকাশ পাভেল, একই গ্রামের মালন মিয়ার ছেলে কাজী নূরে আলম, কাজী আবু হানিফের ছেলে কাজী শাহনূর, কাজী মনসুর আলীর ছেলে কাজী বশির, কাজী এনায়েতের ছেলে কাজী মনজু ও কাজী এমরান, কাজী বজলু মিয়ার ছেলে কাজী জাহিদ, কাজী আবু তাহেরের ছেলে কাজী শাকিল, কাজী ফিরোজ মিয়ার ছেলে কাজী সুবেল, আবু জাহের মোল্লার ছেলে বেলাল মোল্লা। এর মধ্যে কাজী এমরান বাদে বাকি সব আসামী রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এমরান গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজার মেয়াদ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাজী পাভেলকে ধরতে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী ঘাটুরা এলাকায় অভিযান চালায় সদর থানার এস.আই নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এ সময় কাজী পাভেলের পরিবারের সদস্যসহ অন্যান্যরা পুলিশের উপর হামলা চালায়।

তাৎক্ষণিকভাবে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতেই এস.আই নাজমুল বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার আলামত হিসেবে একটি বল্লম, একটি রামদা, একটি ছোরা, পাঁচটি টেঁটা ও ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.