,
শিরোনাম:
Police Clearence Certificate (PCC)- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আবেদনের সঠিক নিয়ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তিভিত্তিক দুদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সচল হল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস সরবরাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের ধাক্কায় বাবা নিহত মেয়ে আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। অর্ধশতাধিক আহত, আটক ২০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত আওয়মীলীগ ছাড়া ডান পন্ত্রী কোন রাজনৈতিক দল নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে না..গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী…. ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট ,আটকঃ ৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০ জনের কারাদন্ড

খবর সারাদিন রিপোর্টঃব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামী ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০ জনকে সাজা দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ পারভেজ এক রায়ে তাদের প্রত্যেককে দুই বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন। আদালতের একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা গ্রামের কাজী আনু মিয়ার ছেলে কাজী পাপেল প্রকাশ পাভেল, একই গ্রামের মালন মিয়ার ছেলে কাজী নূরে আলম, কাজী আবু হানিফের ছেলে কাজী শাহনূর, কাজী মনসুর আলীর ছেলে কাজী বশির, কাজী এনায়েতের ছেলে কাজী মনজু ও কাজী এমরান, কাজী বজলু মিয়ার ছেলে কাজী জাহিদ, কাজী আবু তাহেরের ছেলে কাজী শাকিল, কাজী ফিরোজ মিয়ার ছেলে কাজী সুবেল, আবু জাহের মোল্লার ছেলে বেলাল মোল্লা। এর মধ্যে কাজী এমরান বাদে বাকি সব আসামী রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এমরান গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজার মেয়াদ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাজী পাভেলকে ধরতে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী ঘাটুরা এলাকায় অভিযান চালায় সদর থানার এস.আই নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এ সময় কাজী পাভেলের পরিবারের সদস্যসহ অন্যান্যরা পুলিশের উপর হামলা চালায়।

তাৎক্ষণিকভাবে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতেই এস.আই নাজমুল বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার আলামত হিসেবে একটি বল্লম, একটি রামদা, একটি ছোরা, পাঁচটি টেঁটা ও ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.