,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০ জনের কারাদন্ড

images 23

খবর সারাদিন রিপোর্টঃব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামী ধরতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ১০ জনকে সাজা দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ পারভেজ এক রায়ে তাদের প্রত্যেককে দুই বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন। আদালতের একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা গ্রামের কাজী আনু মিয়ার ছেলে কাজী পাপেল প্রকাশ পাভেল, একই গ্রামের মালন মিয়ার ছেলে কাজী নূরে আলম, কাজী আবু হানিফের ছেলে কাজী শাহনূর, কাজী মনসুর আলীর ছেলে কাজী বশির, কাজী এনায়েতের ছেলে কাজী মনজু ও কাজী এমরান, কাজী বজলু মিয়ার ছেলে কাজী জাহিদ, কাজী আবু তাহেরের ছেলে কাজী শাকিল, কাজী ফিরোজ মিয়ার ছেলে কাজী সুবেল, আবু জাহের মোল্লার ছেলে বেলাল মোল্লা। এর মধ্যে কাজী এমরান বাদে বাকি সব আসামী রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এমরান গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজার মেয়াদ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাজী পাভেলকে ধরতে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী ঘাটুরা এলাকায় অভিযান চালায় সদর থানার এস.আই নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। এ সময় কাজী পাভেলের পরিবারের সদস্যসহ অন্যান্যরা পুলিশের উপর হামলা চালায়।

তাৎক্ষণিকভাবে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতেই এস.আই নাজমুল বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার আলামত হিসেবে একটি বল্লম, একটি রামদা, একটি ছোরা, পাঁচটি টেঁটা ও ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.