,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভীড় টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর

লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে করলেন ডা. সোলায়মান

IMG 20221123 WA0005
খবর সারাদিন রিপোর্টঃ দীর্ঘদিন যাবত হাড় ভাঙ্গাসহ জটিল রোগে ভুগছেন রাসেল মিয়া (২২)। রাসেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের পাহাড়পুর হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য। টাকার অভাবে সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেননি। শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি ঘটে। অবশেষে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মানের কাছে দারস্থ হলেন।
মানবতার কল্যানে ও হতদরিদ্র রাসেলের কথা ভেবে বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করলেন মানবিক চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মান। অপারেশনের পর জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় ৩ দিন ধরে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন ওই যুবক। তার দেখবালও করছেন ওই চিকিৎসক।
ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মান জানান, রাসেল ক্রনিক অস্টিওমায়েলাইটিস রোগে ভুগতেছিল। “ইলিজারভ এক্সটার্নাল ফিক্সেটর” অপারেশনটি খুব ব্যয়বহুল। যার অর্থ যোগাড় করা রাসেলের পক্ষে সম্ভব ছিল না৷ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাসেলের ডান পায়ের অপারেশনটি বিনামূল্যে ট্রমা জেনারেল হাসপাতালে করেছি। অপারেশনের পর রাসেলকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি দিয়েছি। প্রতিদিন সকালে রাউন্ডে গিয়ে রাসেলের খোঁজ খবর নিচ্ছি। এর আগেও ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার কোমড়ের অপারেশন বিনামূল্যে করেছি। অনেক রোগীকে ফ্রিতে চিকিৎসা দিয়েছে। আমি চিকিৎসক হিসেবে অতটুকু দায়বদ্ধতা থাকে।
হতদরিদ্র রাসেল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, হতদরিদ্র পরিবারে আমার জন্ম। টাকার অভাবে সময় মত পায়ের চিকিৎসা করতে পারেনি। এর আগেও স্যার আমাকে চিকিৎসা দিয়েছিলেন, কিন্তু আমার অবহেলার কারনে সুস্থ হয়নি। শেষমেশ আবার আমি স্যারের কাছে আসি। স্যার টাকা ছাড়ায় আমার ডান পায়ের অপারেশন করে দিলেন। স্যার পাশে না থাকলে লাখ টাকা অপারেশন করার সামর্থ্য আমার হতো না। স্যারের উপকার কোনদিন ভুলবো না। স্যারের জন্য দোয়া করি।
শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.