,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস

খবর সারাদিন রিপোর্টঃ আজ ৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহমেদ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুরাতন কাচারী ভবন সংলগ্ন  তৎকালীন মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলন।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমান্ড।
ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে শত্রু  মুক্ত করতে ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে জেলার আখাউড়া সীমান্ত  এলাকায় মিত্রবাহিনী  পাকিস্তানী বাহিনীর উপর বেপরোয়া আক্রমন চালাতে থাকে।
১ ডিসেম্বর আখাউড়া সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধে ২০ হানাদার নিহত হয়। ৩ ডিসেম্বর আখাউড়ার আজমপুরে প্রচন্ড যুদ্ধে ১১ হানাদার নিহত হয়। শহীদ হন ৩ মুক্তিযোদ্ধা। এরই মাঝে বিজয়নগর উপজেলার মেরাশানী, সিঙ্গারবিল, মুকুন্দপুর , হরষপুর, আখাউড়া উপজেলার আজমপুর, রাজাপুর এলাকা মুক্তিবাহিনীর দখলে চলে আসে।
 ৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটতে থাকলে আখাউড়া অনেকটাই শত্রুমুক্ত হয়ে পড়ে। এখানে রেলওয়ে স্টেশনের যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর দুই শতাধিক সেনা হতাহত হয়। ৬ ডিসেম্বর আখাউড়া সম্পূর্ণভাবে মুক্ত হয়।
এরপর থেকে চলতে থাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি । মুক্তিবাহিনীর একটি গ্রুপ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দক্ষিণ দিক থেকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে এবং মিত্র বাহিনীর ৫৭তম মাউটর ডিভিশন আখাউড়া-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেললাইন ও উজানীসার সড়ক দিয়ে অগ্রসর হতে থাকে।
শহরের চর্তুদিকে মুক্তিবাহিনী অবস্থান  নিতে থাকায় পাকিস্তানী সেনারা পালিয়ে যাবার সময় ৬ ডিসেম্বর রাজাকারদের সহায়তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক কে.এম লুৎফুর রহমান সহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে আটক থাকা অর্ধশত বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষকে চোখ বেঁধে  শহরের  কুরুলিয়া খালের পাড় নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। ৭ ডিসেম্বর রাতের আধারে পাকিস্তানী বাহিনী ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছেড়ে আশুগঞ্জের দিকে পালাতে থাকে।
৮ ডিসেম্বর বিনা বাঁধায় বীর  মুক্তিযাদ্ধারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রবেশ করে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা  উত্তোলন করে। মুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ওই দিন সকাল ৯টার দিকে  মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতার উপস্থিতিতে  শহরের পুরাতন কাচারী ভবন সংলগ্ন  তৎকালীন মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহমেদ চৌধুরী । একই দিনে সন্ধ্যায় জেলার সরাইল উপজেলা শত্রু  মুক্ত হয়।
এদিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে কর্মসূচী গ্রহন করেছে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান , ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমান্ড।
কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের উদ্যোগে বেলা ১১টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ  ভাষা চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও মুক্তিযোদ্ধা মিলন মেলা।
বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে  আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান , কমান্ডারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা।
এতে প্রধান অতিথি থাকবেন মাননীয়  সংসদ সদস্য ও বসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়  সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.