,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস পালিত

খবর সারাদিন রিপোর্টঃ আজ ৮ই ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাক হানাদার মুক্ত হয়, দিবসটি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী পালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে কাউতলীস্থ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল মামুন সরকার, পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুর রহমান, পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। এছাড়াও দিনটি পালনে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রণাঙ্গন ব্রাহ্মণবাড়িয়া। যুদ্ধ শুরুর পর শহরের অধিকাংশ মানুষ প্রান বাঁচাতে ছুটে গিয়েছিল গ্রামে। ৮ ই ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী যখন শহরে প্রবেশ করে তখন জয় বাংলা শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো শহর। স্বজন হারানোর ব্যাথা ভুলে গিয়ে সেদিন মুক্তির আনন্দে উচ্ছসিত হয়ে পড়ে স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালী।

৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলাকে হানাদারমুক্ত করার পর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশ ও মিত্রবাহিনীর ৫৭তম মাউন্টের ডিভিশন আখাউড়া-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেললাইন ও উজানিসার সড়ক দিয়ে শহরের দিকে অগ্রসর হয়। এতে শহরের চারপাশে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী শক্ত অবস্থানে থাকায় হানাদার বাহিনী পিছু হটতে থাকে। সেদিন অনেকটা বিনাযুদ্ধেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত হয়েছিল। তবে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৬ ডিসেম্বর রাজাকারদের সহায়তায় নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাক বাহিনী।

ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.