,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবকের পায়ের রগ কেটে হত্যা, আহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের

খবর সারাদিন রির্পোট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে জনি মিয়া (৩৫) নামের এক যুবককে পায়ের রগকেটে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার তালশহর পশ্চিম ইউনিয়নের তালশহর বাজারে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত জনি মিয়া ওই এলাকার মোঃ মকসেন মিয়ার ছেলে। এসময় আওয়াল মিয়া নামের (৪৭) আরও একজন গুরুতর আহত হন।
নিহতের চাচাত ভাই মোঃ বিদ্যুৎ ও পরিবারের অভিযোগ, জনি মিয়া ও আওয়াল মিয়া রাত ১০টার দিকে তালশহর বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাজার সংলগ্ন সেতু অতিক্রম করতেই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামার নির্দেশে তার দুই ছেলে সাচ্চু মিয়া ও আমির হোসেনসহ তাদের দলবল অতর্কিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় জনি মিয়ার দুই পায়ের রগ কেটে ফেলে এবং সাথে থাকা আওয়ালকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন। তারা ঢাকায় যাওয়ার পথে রাত ২টার দিকে নরসিংদীতে জনি মিয়া মারা যান।
তালশহর পশ্চিম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোলাইমান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, জনি আমার একজন কর্মী ছিলেন। ২০২২ সালে ৫ জানুয়ারি নৌকা প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। এরপর থেকেই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামা তার ছেলেরা সোলাইমান মিয়া ও তার কর্মীদের উপর ক্ষুব্ধ ছিল। এরই জের ধরে সোমবার রাতে আবু সামা ও তার ছেলেরা এই হত্যাকান্ড চালায়। এদিকে দুপুরে হত্যাকান্ডের বিচারের দাবীতে মাথায় কাফনের কাপড় পড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে জানতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামা (০১৭১১৩৫৭৫৪৪) ও তার ছেলে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমির হোসেন (০১৭১৩৬১৩৫৯৫) এর মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তাদের ফোনের বন্ধ পাওয়া যায়।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাহিদ আহমেদ বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযোগ স্বাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.