,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের ধাওয়া পালটা ধাওয়া \ বেশ কয়েকজন আহত, ককটেল বিস্ফোরণ নবীনগরে তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নান্দনিক আবৃত্তির মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাতিয়ে গেলেন ভারতের আবৃত্তি সংস্থা শ্রুতি সালিশ সভায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে নারীকে নির্যাতন বিজয়নগরে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতার পরিধির মধ্যে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে- গণপূর্ত মন্ত্রী বৃক্ষায়নের জায়গা না রেখে নতুন বাড়ি বা ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া হবে না- গণপূর্ত মন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের বিরোধে নারীকে হত্যা, গ্রেফতার ৩ আখাউড়া থানার হাজত কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া আসামি ফের গ্রেপ্তার৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্বাসরোধ করে কন্যাশিশুকে হত্যা করলো মা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার অফিসে হামলা-ভাংচুর, আহত ৪

কসবায় সংঘর্ষের পর বাজার এলাকার পরিস্থিতি ছবি 1
খবর সারাদিন রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বালু উত্তোলন নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে শফিকুল ইসলাম (৪৭) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতার অফিসে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের কলেজ গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয় ৪ জন। আহতরা হলেন, সুহিলপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল জাহেরের ছেলে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম (৪৭), মৃত কুতুব মিয়ার ছেলে মুরশেদ হাজারি (৩০), জোরাল খাঁ’র ছেলে মোঃ রাব্বি (২১) ও মনির মিয়ার ছেলে মোঃ নিয়াজ (১৭)।
এ ঘটনায় আহত শফিকুল ইসলাম বলেন, সুহিলপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে দুলাল হাজারি (৫৮) দীর্ঘদিন ধরে সুহিলপুর মৌলভী বাড়ির পূর্বপাশের খাল থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। সম্প্রতি এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিউজ হয়। এরপর থেকে দুলাল হাজারি এলাকার শফিকুল ইসলাম ও তার জামাতা মুরশেদ হাজারিকে সন্দেহ করেন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুলাল হাজারি মুরশেদ হাজারিকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। খবর পেয়ে শফিকুল ইসলাম তার জামাতাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে সন্ধ্যার দিকে আবারো দুলাল হাজারি তার দলবল নিয়ে শফিকুল ইসলামের অফিসে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাংচুর করে। হামলায় শফিকুল ইসলাম, মুরশেদ হাজারিসহ ৪ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।
এদিকে হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে দুলাল হাজারি বিষয়টি অস্বীকার করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসলাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ স্বাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.