,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ট্রেনের টিকেটসহ পাঁচ কালোবাজারি আটক, প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা জব্দ আপেক্ষিক অর্থে বলা হয়েছে ৫০ বছর সময় লাগলেও সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের ধরা হবে..ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণসংবর্ধণার জবাবে গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী এমপি মজুদদারদের জরিমানা নয়, কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক সেবন করে অশ্লীল আচরন করায় সাতজনকে কারাদন্ড অবৈধভাবে খাল কাটা ও ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে বিজয়নগরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বাঞ্ছারামপুরে পুকুরে মিললো কিশোরের হাত-পা বাধাঁ লাশ৷ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে ৮০০ কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চুরি করার অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের জমি থেকে অটো চালকের মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাইয়ের কামড়ে ভাইয়ের মৃত্যু

খবর সারাদিন রির্পোট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড় ভাইয়ের কামড়ে গোলাপ মিয়া-(৩৫) নামে ছোট ভাইয়ের
মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার রাতে সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের
খাঁটিহাতা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত গোলাপ মিয়া খাঁটিহাতা
গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সোমা বেগম বাদি
হয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে দুইজনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় একটি
মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, মৃত গোলাপ মিয়া খাঁটিহাতা বাজারের
নৈশ প্রহরী ছিলেন। তিনি ছিলেন মাদকসেবী। স্থানীয়রা গোলাপকে মাদক
সেবন করতে নিষেধ করলে সে স্থানীয়দের সাথে অশোভন আচরন করতো।
সোমবার দুপুরেও গোলাপ স্থানীয় একজনের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। পরে ওই
ব্যক্তি গোলাপের বড় ভাই মঞ্জুর আলীর কাছে নালিশ করেন। সোমবার সন্ধ্যার
দিকে মঞ্জুর আলী গোলাপকে ডেকে মাদক গ্রহন ও মানুষের সাথে যেন খারাপ
ব্যবহার না করে সেই কথা বললে গোলাপ মঞ্জুর আলীর সাথেও খারাপ ব্যবহার করে।
এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরে হাতাহাতির ঘটনা
ঘটে। এক পর্যায়ে গোলাপ মিয়া মাটিতে পড়ে গেলে মঞ্জুর আলী গোলাপ
মিয়ার কানে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত করে।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা গোলাপ মিয়াকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা
বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের
কর্তব্যরত চিকিৎসক গোলাপ মিয়ার কানে ১৫টি সেলাই দিয়ে তাকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন।
গোলাপের স্বজনরা তাকে ঢাকায় না নিয়ে শহরের একটি বেসরকারি
ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করে। রাত ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
গোলাপ মিয়া মারা যায়।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
মোঃ আসলাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মৃতের স্ত্রী সোমা বেগম বাদি
হয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে ঘাতক বড় ভাই মঞ্জুর আলী-(৪২) ও তার স্ত্রী
আছিয়া বেগম-(৪০) কে আসামী করে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের
করেছেন। পুলিশ আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। মৃত গোলাপ মিয়ার লাশ
ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা
হয়েছে।
ওয়েব ডিজাইন ঘর

Sorry, no post hare.