,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের ধাওয়া পালটা ধাওয়া \ বেশ কয়েকজন আহত, ককটেল বিস্ফোরণ নবীনগরে তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নান্দনিক আবৃত্তির মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাতিয়ে গেলেন ভারতের আবৃত্তি সংস্থা শ্রুতি সালিশ সভায় চেয়ারম্যানের নির্দেশে নারীকে নির্যাতন বিজয়নগরে বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতার পরিধির মধ্যে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে- গণপূর্ত মন্ত্রী বৃক্ষায়নের জায়গা না রেখে নতুন বাড়ি বা ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া হবে না- গণপূর্ত মন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের বিরোধে নারীকে হত্যা, গ্রেফতার ৩ আখাউড়া থানার হাজত কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া আসামি ফের গ্রেপ্তার৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্বাসরোধ করে কন্যাশিশুকে হত্যা করলো মা

৪ বছর পর কসবা সীমান্ত হাট চালু

WhatsApp Image 2024 07 02 at 4.54.58 PM jpeg

খবর সারাদিন রিপোর্টঃ অবশেষে দীর্ঘ চার বছর ৪ মাস পর ২৯ জুলাই চালু হতে যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত হাট।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে দু’দেশের সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ব্যবস্থাপনা কমিটি সভার আগে হাটের সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ অংশের সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জেসমিন সুলতানা জানান, দু’দেশের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই হাটের সংস্কার কাজ শেষ করা হয়।
মঙ্গলবারের বৈঠকে ত্রিপুরার রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত মজুমদার ভারতের নেতৃত্ব দেন। তিনিও হাটের সার্বিক অবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে হাট চালু হলে আগের অবস্থা ফিরে পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় কসবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছাইদুর রহমান স্বপন, কসবা পৌর মেয়র এম.জি হাক্কানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২০১৫ সালের জুনে যাত্রা শুরু করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তারাপুর ও ভারতের সিপাহিজলা জেলার কমলাসাগর এলাকার সীমান্ত হাট। দু’দেশের ৫০টি করে মোট ১০০টি দোকান বসতো ওই হাটে। করোনা মহামারী দেখা দিলে ২০২০ সালের ১০ মার্চ থেকে হাটের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

মূলত সীমান্ত এলাকার পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বসবাসকারিরা এ হাট থেকে পণ্য কেনার নিয়ম রয়েছে।
তবে কসবা উপজেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এ হাটে এসে পণ্য কিনে নিয়ে যেতেন। বাংলাদেশি পণ্যের চেয়ে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা ছিলো ওই হাটে বেশি। প্রতি রবিবার বসতো হাট।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.