,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কসবায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অটোচালককে খুন, ১০ দিন পর লাশ উদ্ধার

WhatsApp Image 2024 12 26 at 6.17.18 PM jpeg

খবর সারাদিন রিপোর্টঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার ১০ দিন পর মহসিন মিয়া-(২৪) নামে এক অটোচালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কুটি ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মহসিন মিয়া উপজেলার কুটি ইউনিয়নের রানিয়ার গ্রামের আয়েত আলীর ছেলে। হত্যাকান্ডে জড়িত পাশ্ববর্তী গ্রামের মন মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়াকে চট্টগ্রাম থেকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্য মতে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আয়েত আলী বাদি হয়ে কসবা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

নিহতের পরিবারের লোকজন জানান, মহসিন মিয়া একজন অটোচালক। সে কিছুদিন আগে একটি মোবাইল পাশের গ্রামের মন মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার কাছে বিক্রি করে। মোবাইল বিক্রির পর তার ব্যবহৃত নাম্বারগুলো সংরক্ষনের জন্য ফের মোবাইলটি ফেরত আনে। মোবাইলটি ফেরত দেয়া নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে মহসিন ভাত খাওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার সময় রাসেল মিয়া তাকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয় মহসিন মিয়া। পরদিন থেকে রাসেল মিয়াও এলাকা ছেড়ে চলে যায়। মহসিন মিয়াকে পরিবারের লোকজন কোথাও খুঁজে না পেয়ে ১৮ ডিসেম্বরর রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে কসবা থানায় জিডি করে নিহতের পিতা আয়াত আলী। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় রাসেল মিয়াকে গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে কসবা থানা পুলিশের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাসেল মিয়া পুলিশের কাছে স্বীকার করে মহসিনকে সে এবং রিপন মিয়া মিলে হত্যা করে শান্তিপুর গ্রামের ছোবহান মিয়ার পরিত্যাক্ত বাড়িতে ফেলে রেখেছে। তার স্বীকারোক্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহসিনের অর্ধগলিত লাশ পড়ে থাকতে দেখে।

এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে রাসেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামীকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.