,
শিরোনাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভীড় টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর

মারা গেছেন আসল কিম, প্রকাশ্যে এসেছিলেন নকল কিম

images 32

ডেস্ক রিপোর্ট : সকল গুজব উড়িয়ে দিয়ে গত শুক্রবার (১ মে) প্রায় ২০ দিন পর জনসম্মুখে এসেছিলেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন কিম জং উন। আবার কিছু গণমাধ্যম দাবি করেছে যে মারা গেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিমের সাম্প্রতিক ছবি পোস্ট করে অনেকেই দাবি করেছেন জনসম্মুখে আসা কিম আসল নয়। সেটি তার ডাবল বডি অর্থাৎ অবিকল কেউ।

সেখানে একটি ছবিতে কানের আকৃতি তুলনা করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে বেশির ভাগ কিমের ছবিই বেশ পুরনো।

কিমের ডাবল বডির বিষয়ে প্রথম টুইট করেন চিনা ব্লগার জেনিফার জেং। এক টুইট পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, মে দিবসে যে কিম জন সম্মুখে এসেছেন তিনি আসল কিম নন। ওই টুইটে জেনিফার জেন বলেন,মে দিবসে যিনি প্রকাশ্যে এসেছেন তিনি কি আসল! ৪টি জিনিস দেখতে হবে- ১)দাঁত, ২)কান, ৩)চুল ও ৪)তার বোন।

এদিকে কিমকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে এমন প্রশ্ন। এ নিয়ে আরেকজন টুইটে লিখেছেন, আমার মনে হয় সে মারা গেছেন এবং তার অবিকল কাউকে সেখানে আনা হয়েছে।

কিমের সাম্প্রতিক ছবি দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক এমপি লুইস মেনশ।এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, এটা ওই মানুষটি না। তবে আমি তর্কে যাবো না। তার দাঁতের আকার এবং ঠোঁটের উপরে কিউপিড বো সম্পূর্ণ আলাদা। ডেইলি স্টার।

শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.