,
শিরোনাম:
টিকটক করতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ উপলক্ষ্যে এতিম ও ছিন্নমূল পথশিশু পেল পছন্দের পোশাক ডেভিল হান্টের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার কালের সাক্ষী আখাউড়ার খড়মপুরের ১১’শ বছরের পুরোনো মসজিদ সহকারী প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের গ্রেড উন্নতীকরণের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মারকলিপি প্রদান আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগিরক পার্টির বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জে নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএফজি’র উদ্যোগে শান্তি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভা বৈষম্যবিরোধী ৩ ছাত্র প্রতিনিধিকে মাইক্রোচালকদের মারধর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিক্সা ও রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষনের মামলা। 

received 778219026265416
মোজাম্মেল চৌধুরী :  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তার এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে আদালতে  মামলা হয়েছে। সোমবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ  ছাত্রীর মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আশুগঞ্জের তারুয়া জামিয়া ছোবহানীয়া মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: অলিউল্লা ছোবহানী(৩৫) এবং তার পিতাসহ ৫ জনকে আসামী করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশনকে। মামলার এজাহারে বলা হয়, মো: অলিউল্লা ছোবহানী দু-মাস পূর্বে তারুয়া গ্রামে জামিয়া ছোবহানীয়া মহিলা মাদ্রাসাটি চালু করেন। মহিলা মাদ্রাসা হওয়া সত্বেও এরসঙ্গে নিজে থাকার জন্যে একটি ঘর নির্মান করেন। নাছিমার  ৫ সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ট কন্যা খাদিজাতুল কোবরাকে(১৬) মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পরই ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়। এর কয়েকদিন পরই ওই ছাত্রীর ওপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে বিবাহিত এবং কয়েক সন্তানের জনক অলিউল্লাহ ছোবহানীর। নানা প্রলোভন দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে সে ছাত্রীকে। ভুল বুঝিয়ে মাদ্রাসা লাগোয়া থাকার ঘরে ডেকে নিয়ে হাত-পা টিপানো এবং শরীর ম্যাসাজ করতে বাধ্য করে ছাত্রীটিকে। তাকে এব্যাপারে মুখ বন্ধ রাখতে ভয়ভীতি দেখায়। গত ৯ই আগষ্ট  অধ্যক্ষ মাদ্রাসা লাগোয়া থাকার ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে ছাত্রীটিকে। এ ঘটনার পর ওই ছাত্রী আত্বহত্যা করবে বলে জানালে অলিউল্লা ছোবহানী তাকে বিয়ের আশ্বাস দেয়। কয়েকটি ডায়েরীর পাতায় বিয়ের কথাবার্তা লিখে তাতে ছাত্রীর স্বাক্ষর নেয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ার মো: আশরাফুর রহমান,সদর উপজেলার হাবলাউচ্চ গ্রামের মো: কেফায়েত উল্লাহ ও আশুগঞ্জ যাত্রাপুর গ্রামের মো: আবুল বাশার আইয়ুবীকে ওই বিয়ের উকিল ও স্বাক্ষী  বানিয়ে ডায়েরীর পাতায় তাদের স্বাক্ষর নিয়ে ছাত্রীকে বিয়ে হয়েছে বলে আশ্বস্থ করা হয়। মামলায় এই ৩ উকিল-স্বাক্ষী  এবং ঘটনা ধামা চাপা দিতে তৎপর অলিউল্লা ছোবহানীর পিতা আব্দুল ছোবহানকে আসামী করা হয়। অলিউল্লা ছোবহানীর বিরুদ্ধে বালাৎকারের অনেক অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় তার কাছ থেকে সালিশ করে জরিমানাও আদায় করা হয়। মাদ্রাসার নামে টাকা উত্তোলন করে নিজের সহায়-সম্পদ গড়ার কাজে ব্যবহার করা ছাড়াও নানা অপকর্ম করে বেড়ানোর অভিযোগ করেন এলাকার মানুষ তার বিরুদ্ধে।
শেয়ার করুন

Sorry, no post hare.